বাসনা
আমায় নিয়ে একটা কবিতা লিখে দেবে। কত বার বলেছি তোমায়। না হয় কিছু লাইন বা শব্দ বা অক্ষর। তুমি তাকিয়ে থাকতে আমার দিকে। আমি জানি তুমি কেবলি তাকিয়ে আছ। তোমার দৃষ্টি,তোমার ভাবনা তোমার চেতনা তোমার সত্তা তখন আমার গন্ডির বাইরে। আমার গন্ডিবা কত টুকু।খুবি অল্প,সীমানার প্রাচিরে বাঁধা।ভাড়া করা প্রেমিকা কিনা আমি। তুমি তাকিয়ে থাকতে আমার দিকে। কিন্তু আমি বুঝতাম তুমি কিছু না কিছু ভাবছো। তোমার চোখে ভাঙাচোড়া নড়বড়ে কিছু প্রেম মাঝে মাঝে জেগে উঠেই মিলিয়ে যেত। তোমার ঠোটের কোনে ম্লান কিন্তু কি অদ্ভুত মিষ্টি ঠোট চাঁপা হাঁসি ঝুলে থাকতো সে সময়। কি যে ভালো লাগতো তোমায় তখন। তুমি কবি মানুষ।তোমার ভাবতে প্রেমে লাগে।তুমিই তো বলেছিলে প্রেম করলে নাকি শরীরের হরমনিক ক্রিয়া বদলে যায়।তাতে ভাবার সুবিধে হয়।তোমার তো প্রিয় কাজ একটাই ভাবা। প্রথম প্রথম তুমি আমার প্রেমের ভাড়া সময় মত মিটিয়ে দিতে। আমিও নিতাম সে বিপুল আঙ্কের ভাড়া হাত পেতে। অভাবি বাড়ির মেয়ে কিনা। জানোতো প্রয়োজনের কাছে সব হারিয়ে যায়। প্রেম,ভালোবাসা,আত্মসন্মান,বিবেক বুদ্ধি সর্বপরি বুকের মাঝে জমিয়ে রাখা চোরা অভিমান গুলো। নদির অদম্য স্রোতে বিনিত হাতে আত্মসমর্পন...